স্পটলাইট বাংলা

সত্যের সন্ধানে সব খবর

What's Hot

গ্যাস সংকট বাড়লেও উত্তরণে নেই উদ্যোগ

২০১০ সালের পর দেশে শুরু হয় গ্যাসের সংকট। গত ১৫ বছর ধরে এ সংকট ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। সংকট সমাধানে কি করছে সরকার? কার্যত, গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় কূপ খনন আর বিদেশ থেকে লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ সরকারের তৎপরতা। কিন্তু এলএনজি আমদানিতে রয়েছে বড় ধরনের আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে নতুন কূপ খনন করে সেখান থেকে গ্যাস পাওয়া হয়ে পড়েছে নিয়তির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সঠিক পরিকল্পনার অভাব, অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ না করা তদুপরি দায়িত্বশীলদের আন্তরিকতার অভাবেই গ্যাসের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে, যা দেশের উৎপাদন তথা অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে আগামীতে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, সে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে গ্যাসের সংকট সমাধানের মাধ্যমে দেশের শিল্প-কারখানার চাকা সচল রাখা।

গত এক যুগ ধরে গ্যাসের সীমিত প্রাপ্যতার মধ্যেও চলছে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় গ্যাসের রেশনিং করে সরকার নানা খাত সচল রাখার চেষ্টা করেছে। দেশে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় সরকার ২০১৮ সাল থেকে বিদেশ থেকে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি করছে। দেশে উত্তোলন করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং আমদানিকৃত এলএনজির মাধ্যমে গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হলেও কার্যত চাহিদা সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিনিয়ত যেভাবে চাহিদা বাড়ছে সেভাবে সরবরাহ না বাড়ায় সংকট আরও প্রকট হচ্ছে। শিল্প-কারখানায় গ্যাসের সংকটের পাশাপাশি বাসা বাড়িতেও (আবাসিক খাতে) জ¦লছে না চুলা। বিকল্প উপায়ে রান্না করতে হচ্ছে। বছরের পর বছর গ্রাহকরা গ্যাস সংকট নিয়ে অভিযোগ করলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বরং বেড়েই চলছে।

এ বিষয়ে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আমাদের সময়কে বলেন, গ্যাসের সংকটের কথা আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি। শিল্প খাতে গ্যাস সংকট দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক ক্ষতি করছে। প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, তবে সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছুটা বাড়লেও চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ১৫ পিএসআই চাপে গ্যাস সরবরাহের চুক্তি হলেও সরবরাহ করা হচ্ছে অনেক কম। এ ছাড়া নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ আছে। নতুন গ্যাস সংযোগ না হওয়া মানে নতুন বিনিয়োগ না আসা। আগামীতে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, সে সরকারের কাছে আমরা আশা করব অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দুটো কাজ করবে। এক. গ্যাস সংকট, বিশেষ করে শিল্প-কারখানায় জ্বালানি সংকটের সমাধান করবে। দুই. ব্যাংকিং খাতের সংস্কার করবে। তিনি বলেন, বিগত সময়ে কিছু ব্যবসায়ী ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এখন ব্যাংক নানা ধরনের চার্জ ধরে ব্যবসায়ীদের টাকা লুট করছে। গ্যাসের সংকট ও ব্যাংকিং খাতের নানা ধরনের বিধিনিষেধের চাপে পড়ে অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এটি দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। আমরা আশা করছি, আগামীতে নির্বাচিত সরকার অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করে এগুলোর সমাধান করবে।

গ্যাসের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পেট্রোবাংলার একজন মহাব্যবস্থাপক আমাদের সময়কে বলেন, দেশে উৎপাদিত গ্যাস এবং বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হিসাবে দেখা যায়, দেশীয় উৎপাদন আশঙ্কাজনভাবে কমে যাচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, সঙ্গে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ করা হচ্ছে। এ কর্মকর্তা বলেন, বিবিয়ানা সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র। সেখানে উত্তোলন কমে যাচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। ফলে দেশে গ্যাসের সরবরাহ সামনেই একটা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তবে শীতকাল হওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের চাহিদা কমেছে। ফলে শিল্প ও সার কারখানায় সরবরাহ বেড়েছে। তবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সংকটের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। দিনভর গ্যাসের অভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে নিজস্ব জ্বালানির উৎপাদন কমেছে আর আমদানি নির্ভরতা বেড়েছে। আগামীতেও সহজেই জ্বালানি সংকট কাটার কোনো সম্ভাবনা নেই।

পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রাহকদের গ্যাসের চাহিদা ন্যূনতম ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু সরবরাহ করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এদিকে পেট্রোবাংলা বলছে, বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানির সংযোগকৃত গ্রাহকের সংখ্যার ভিত্তিতে অন্তত ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু চাহিদার অর্ধেক গ্যাসও সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে শিল্প কারখানার অগ্রগতি স্থবির হয়ে আছে।

এ বিষয়ে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ পারভেজ আমাদের সময়কে বলেন, তিতাস মূলত পেট্রোবাংলা থেকে গ্যাস প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করে গ্যাস বিতরণ করে থাকে। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ পেলে গ্রাহকদের কোনো অভিযোগ থাকে না। কিন্তু পেট্রোবাংলা থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পেলে গুরুত্ব বিবেচনায় গ্যাস সরবরাহ করতে হয়। তিনি বলেন, গত কিছুদিন যাবৎ দেশীয় উৎপাদন কমে গেছে। এ ছাড়া এলএনজি টার্মিনাল সংস্কারের কারণে সরবরাহ কম ছিল। ফলে গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। আশা করছি, সরবরাহ বাড়লে সংকট সমাধান হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট থেকে দ্রুত উত্তরণ সম্ভব নয়। এ পরিস্থিতি দেশের জ্বালানিনির্ভর শিল্পগুলোকে আরও দীর্ঘ সময় ভোগাবে। তিনি বলেন, এ দেশে গ্যাসের সিস্টেম লস ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। এটি অসম্ভব। এ লসের কথা বলে গ্যাস চুরি হচ্ছে। যেভাবে লসের কথা বলা হয়, বাস্তবে এর পরিমাণ অর্ধেকও হবে না। এ ছাড়া টেকনিক্যাল লসও রয়েছে। এসব কমিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা সম্ভব হলে এখনকার সংকট হয়তো খুব স্বাভাবিকভাবে উতরে যাওয়া যেত। তিনি বলেন, সিস্টেম লসের বিষয়টি একটি শুভঙ্করের ফাঁকি। দিন দিন দেশে গ্যাসের উৎপাদন কমে আসছে। উৎপাদন বাড়ানোর একটা চেষ্টা হয়েছিল। তাতে কিছু জায়গায় উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু অন্য জায়গায় কমে গিয়ে নেট উৎপাদন কমে গেছে। তিনি যোগ করেন, আমদানির ক্ষেত্রেও আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা স্থবিরতা আছে। এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি আপাতত আমদানি সম্ভব নয়। ফলে দেশের গ্যাস সরবরাহ একটা বড় ঝুঁকির মধ্যে আছে।

প্রসঙ্গত, দেশের ২৩টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে সর্বাধিক উৎপাদন হয় বেসরকারিভাবে মার্কিন কোম্পানি শেভরনের অধীনে উৎপাদিত বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে। দুই বছর আগেও শেভরন একাই প্রায় ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান দিত। অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে আরও প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত। সব মিলিয়ে দেশীয় উৎপাদন ছিল প্রায় ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এখন সেটা নেমে এসেছে ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এদিকে সরকার চাইলেও দিনে সর্বোচ্চ এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি এলএনজি সরবরাহ করতে পারবে না। ফলে নতুন বছরেই গ্যাস-সংকট প্রকট থেকে প্রকটতর আকার ধারণ করতে পারে। এ ছাড়া প্রায় এক যুগ আগে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আইনি লড়াই শেষে সমুদ্র বিজয় হলেও বাংলাদেশ এখনও সমুদ্র থেকে তেল গ্যাস উত্তোলনে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। ফলে দেশের জ¦ালানি খাত মারাত্মকভাবে পিছিয়ে পড়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামীতে যে নির্বাচিত সরকার আসবে, সেই সরকারের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি, বেকারত্ব হ্রাস, বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টাÑ ইত্যাদি যা-ই করা হোক, সফলতা পেতে হলে অবশ্যই জ¦ালানি খাতে মহাপরিকল্পনা করে দ্রত সংকটের সমাধান করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক খবর

স্পটলাইট চয়েস...

সম্পাদকের পছন্দ

গ্যাস সংকট বাড়লেও উত্তরণে নেই উদ্যোগ

২০১০ সালের পর দেশে শুরু হয় গ্যাসের সংকট। গত ১৫ বছর ধরে এ সংকট ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। সংকট সমাধানে কি করছে সরকার? কার্যত, গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় কূপ খনন আর বিদেশ থেকে লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ সরকারের তৎপরতা।...

নতুন মিশনে মেঘনা আলম

মিস আর্থ বাংলাদেশ খেতাব জয়ী মেঘনা আলম। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা আলোচনা তৈরি করা এই গ্ল্যামার গার্ল প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন টিভি নাটকে।ফরিদুল হাসান পরিচালিত বৈশাখী টিভির ধারাবাহিক নাটক ‘মহল্লা’-তে রহস্যময় একটি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে মেঘনা আলম বলেন, মিস আর্থ হওয়ার আগে আমি মিডিয়া বা বিনোদন জগতে কাজ করিনি। আমি তখন নেতৃত্ব...

মোস্তাফিজের ৪০০ উইকেটের মাইলফলকে রংপুরের সহজ জয়

মোস্তাফিজুর রহমানের অপেক্ষা ছিল মাত্র একটি উইকেটের। তাতে লাগল স্রেফ দুই বল। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি–টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়ে পরে আরও দুই শিকার ধরলেন বাঁহাতি এই পেসার। সঙ্গে ফাহিম আশরাফের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ইনিংসে বিপিএলে জয়ের ধারায় ফিরল রংপুর রাইডার্স। শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৬ উইকেটে...

খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ ভারতের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে খালেদা জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৃহস্পতিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে তিনি প্রয়াত নেত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে...

আখতার হোসেনের হলফনামায় যা জানা গেল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার টাকা। কৃষি, ব্যবসা ও চাকরি—এই তিন খাত থেকে তিনি আয় করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। হলফনামায় উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী,...

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো: জামশেদ আলম মজুমদার

জনপ্রিয় বিভাগ

প্রয়োজনীয় খবর

©২০২৫ স্পটলাইট বাংলা কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত। Designed and Developed by Media Tech